
আজকের নিরাপদ ক্রিপ্টোগ্রাফি কেন কালকে দুর্বলতায় পরিণত হবে? উত্তরটি শুধু একটি শক্তিশালী অ্যালগরিদম বেছে নেওয়া নয়। এটি হলো এমন সিস্টেম তৈরি করা যা অভিযোজিত হতে পারে। এটিকে ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যাজিলিটি বলা হয়। এর মানে হলো প্রোটোকল ডিজাইন করা যাতে সম্পূর্ণ সিস্টেমটি পুনর্গঠন না করেই ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদমগুলি প্রতিস্থাপন করা যায়। এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? → অ্যালগরিদমগুলি বিকশিত হয়: নতুন দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। → মানদণ্ডগুলি পরিবর্তিত হয়: ভালো বিকল্পগুলি উপলব্ধ হতে পারে। → মাইগ্রেশনের সময় লাগে: সিস্টেমগুলির একটি ব্যবহারযোগ্য আপগ্রেডের পথ দরকার। → কোয়ান্টাম হুমকি জন্মায়: পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফিও বিকশিতই থাকবে। লক্ষ্যটি হলো ভবিষ্যতের জন্য কোনও অ্যালগরিদমই চিরস্থায়ী হবে, তা ভবিষ্যদ্বাণী করা নয়। এটি হলো, চিরকালের জন্য একটিরওউপরনিরভরশীল হওয়া এড়ানো। এটি blockchain-এর ডিজাইনের জন্যএকটি important lesson,এবং @tezos-এরচলমানপ্রোটোকলবিকাশঅনুসরণকরারএকটিকারণ। যদি blockchain-এরক্রিপ্টোগ্রাফিকেসহজেআপগ্রেডকরাযায়না,তবেকিসেবিশ্বসমকক্ষভাবেভবিষ্যত-প্রস্তুতবলাযাবে?
