মার্কিন কোষাগার প্রতিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জাপানের সাথে সমন্বিত হস্তক্ষেপের কথা নিশ্চিত করেছেন, যার মাধ্যমে যেন জেনে ক্রয় করা হচ্ছে, যা ওবামা যুগের পর থেকে ওয়াশিংটন প্রায়শই বাদ দিয়েছে।
১ আগস্টে যাচাইকৃত এই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে জাপানি ইয়েনের মধ্যে ৫ বিলিয়ন থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্রয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজারগুলিকে প্রভাবিত করা নোটপ্যাড
জুলাই ৩১ তারিখে ক্যাম্প ডেভিডের ক্যাবিনেট বৈঠকের সময় প্রথম প্রকাশ পায় হস্তলিখিত নোটবুকে বেসেন্টের দ্বারা ক্যামেরাগুলি ধরে রাখার জন্য ইয়েন ক্রয়ের পরিসর উল্লেখ করা।
বেসেন্টের পাবলিক বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে “অনিয়ন্ত্রিত যেন চলাচল”-এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ডলারের বিপরীতে যেন প্রায় ৪০ বছরের মধ্যে এমন পর্যায়ে ট্রেড হচ্ছে।
হস্তক্ষেপের সমন্বিত প্রকৃতিই এটিকে সত্যিকারের দিক থেকে উল্লেখযোগ্য করে তোলে। বেসেন্ট জাপানের অর্থমন্ত্রণালয় এবং জাপানের ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে সক্রিয় সহযোগিতা নিশ্চিত করেছেন, যার অর্থ আমেরিকান ডলারকে জাপানি রিজার্ভের সাথে একসাথে একটি যৌথ অপারেশনে ব্যবহার করা হয়েছে।
এটি এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম যেন ক্রয়ের হস্তক্ষেপ।
কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জড়িয়ে পড়তে চায়
বেসেন্ট একটি পূরক পদক্ষেপ হিসেবে ফেডারেল রিজার্ভের ফিমা রেপো সুবিধার আকার বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। ফিমা সুবিধাটি মূলত বিদেশী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলিকে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি হোল্ডিংসকে অস্থায়ীভাবে ডলারে রুপান্তর করতে দেয়। এটিকে বড় করলে জাপানের ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলির যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণের অগ্রিম বিক্রয় ছাড়াই তরলতা ব্যবস্থাপনার জন্য বেশি নমনীয়তা পাবে।
ক্রিপ্টো এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের জন্য এটির অর্থ কী
বিটকয়েনের ক্ষেত্রে ডলারের গতিবিধি গুরুত্বপূর্ণ। ডলার কিনতে জাপানি ইয়েন বিক্রির ক্রিয়াকলাপ, মার্জিনে, ডলারের জন্য নেগেটিভ। দুর্বল ডলারের সাথে ঐতিহাসিকভাবে বিটকয়েনের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের সম্পর্ক রয়েছে, কারণ BTC ডলারে মূল্যায়িত এবং গ্রিনব্যাক দুর্বল হলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য এটি আপেক্ষিকভাবে সস্তা হয়ে যায়।
ট্রেডারদের ফিমা রিপো সুবিধার বিস্তারের দিকেও খুব মনোযোগ দিতে হবে। যদি বিদেশী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলি ট্রেজারি বন্ড বিক্রি না করেই ডলার তরলতা প্রাপ্তির জন্য বেশি নমনীয়তা পায়, তাহলে মার্কিন বন্ড বাজারে অনিয়ন্ত্রিত পরিবর্তনের ঝুঁকি কমে যায়।
